অরণ্য, ঝাড়গ্রাম- ২৯শে নভেম্বর:
হঠাৎ খুশির ছোঁয়া উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের মধ্যে। ঝাড়গ্রাম জেলায় দেখা মিললো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া মাংসাশী উদ্ভিদ সূর্যশিশিরের । এই উদ্ভিদদের দেখা মেলে মূলত রেন ফরেষ্ট এলাকায়। এদেশের অতিবৃষ্টি এলাকার জঙ্গল থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত মূলত এর বিস্তার। এবার জঙ্গলমহলে। সাঁকরাইলের সিদাকরায় রহস্যময় ‘মাংসাশী’ উদ্ভিদের হদিস , চাঞ্চল্য এলাকায়। এ নিয়ে রীতিমত বেশ উদ্বেগ পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে সকলের মধ্যে। এলাকার লোকের দাবি বনদফতর এটা সংরক্ষণ করুক।
জঙ্গলমহলের ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইলের সিদাকরা এলাকায় মাংসাশী উদ্ভিদের হদিশে উদ্ভিদ বিদ্যার লেকচারার ডালিয়া মাহাত জানান এই উদ্ভিদদের দুটো প্রজাতি আাছে। তার মধ্যে ড্রসেরা ইন্ডিকা লুপ্তপ্রায় প্রজাতি। অপর প্রজাতি ড্রসেরাবারমেনি আগে এই জেলার জঙ্গলে দেখা গেলও মাঝে বিলুপ্ত হয়ে যায়। আবার নতুন করে দেখা যাওয়া এটা খুবঌই খুশির বিষয়। পরিবেশ, উদ্ভিদ নিয়ে যারা পড়াশুনা করে তাদের কাছে এক বিশেষ পাওনা। গত বছর বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সংলগ্ন জঙ্গলের পর এবার সাঁকরাইলের সিদাকরা গ্রামের জঙ্গল লাগোয়া এলাকায়, মিলেছে এই মাংসাশী উদ্ভিদের হদিশ।সামান্য ছোট লাল-কমলা বর্ণের এই উদ্ভিদ। মূলত পাথুরে,জলা জায়গায় এই ছোট ছোট উদ্ভিদ জন্মায়। যার উজ্জ্বল রং পোকামাকড়দের বেশ আকৃষ্ট করে। অত্যন্ত উজ্জ্বল বর্ণের এই উদ্ভিদ, তার শরীরে থাকা বিশেষ শিশির জাতীয় রসের মধ্য দিয়ে আকৃষ্ট করে পোকামাকড়দের, আর সেই পোকামাকড়দের থেকে রস শোষণ করে নিজেদের জীবন ধারণ করে। যে সমস্ত জঙ্গলে এই উদ্ভিদ রয়েছে সেই সমস্ত জায়গা চিহ্নিত করে বাঁচিয়ে রাখার পরিকল্পনা নিচ্ছে বন বিভাগ। স্বাভাবিকভাবে সূর্যশিশিরের অস্তিত্ব বহুকাল আগে থেকেই রয়েছে। এ বিষয় নিয়ে ভয় না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন বন বিভাগ।

আমাদের এই আবহাওয়া তে টিকে গেলে বুঝতে হবে এটি বহু আগে এখানে ছিলো, কোনো কারণে হারিয়ে যায়।
ReplyDelete