সুবর্ণরেখার গ্রাসে বহু গ্রাম

 অরণ্য, ঝাড়গ্রাম- ২৫শে আগষ্ট:

সুবর্ণরেখা গিলে নিচ্ছে একের পর এক মন্দির ,ঘর-বাড়ি, ক্লাব ঘর, পোষ্ট অফিসের বেশীর ভাগ চলে গেছে নদী গর্ভে। বাসন্তী পুজোর দালান কে গিলে খাওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। চিরতরে হারিয়ে যাওয়া ক্লাবঘরের ভেঙে পরার ছবি ধরা থাকলো গ্রামবাসীর মোবাইলে। সুবর্নরেখার ভাঙনে হারিয়ে যেতে বসেছে গোপীবল্লভ পুর এর প্রায় ১০ টা গ্রাম। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা মালিঞ্চা,ছাতিনার।ইতি মধ্যে নদীগর্ভে খেলার মাঠ, কয়েক হেক্টর ফলের বাগান সহ একাধিক বাড়ি। গোপীবল্লভপুরের সাথে যোগাযোগের ঢালাই রাস্তাও অর্ধেক নদীগর্ভে। আতঙ্কে গ্রামবাসীর খাওয়া দাওয়া বন্ধ। পাশেই ত্রান শিবিরে খাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাকি সময় পাহারা যেকোনো সময় গ্রামে জল ঢুকে যাওয়ার আশঙ্কানদীয়। নদী ভাঙন এই বারবারন্তর জন্য গ্রাম বাসীরা দায়ী  করছেন বালি খাদান গুলোকে। কারন এই এলাকায় বৈধ বালি খাদনের পেছনে একাধিক অবৈধ বালি খাদান চলে। যারা নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে বেহিসাবি বালি তুলেছে। লাখ লাখ ট্রাক বালি পাচার হয়ে গেছে। কোনো হুশ নেই প্রশাসনের। সব জেনেও প্রশাসন চুপ।

বারবার বলেও কোনো সুরাহা হয়নি। আর নদীর জল বারতে নদীর স্বাভাবিক গতি পথ পরিবর্তন হয়ে গ্রামের দিকে ঢুকে পড়েছে। নদীগর্ভে তৈরী হয়েছে একাধিক মৃত্যু ফাঁদ। বালিতোলা, বালি স্টোর করা সবক্ষেত্রেই নদীর স্বাভাবিক গতিকে আটকে গায়ের জোরে বালি মাফিয়ারা নিজেদের সুবিধামত করেছে সবটা। যার খেসারত দিতে হচ্ছে এই মূহুর্তে প্রায় ১০ টা গ্রামকে। সেচমন্ত্রী মানষ ভূঞা এলাকা পরিদর্শনে  এলে তাকেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। তারপর নদীগর্ভে গেছে একাধিক জমি বাড়ি। তবু হুশ নেই প্রশাসনের।বিজেপির তরফে বালিমাফিয়াদের দিকে সরাসরি অভিযোগের তীর। যদিও তৃনমূলের সভাধিপতি চিন্ময়ী মারান্ডি জানান বৃষ্টি কমলে কাজ শুরু হবে।কাজ কবে হবে সে দিকে তাকিয়ে গ্রামবাসীদের বক্তব্য বালিতে রাশ না টানলে আগামী দিন হারিয়ে যাবে এরকমই বহুগ্রাম ও গ্রামের বসতি।

Tags

Post a Comment

1 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
  1. প্রশাসন এতদিন কি ঘুমাচ্ছিল???

    ReplyDelete